সজনে ফুলের বড়া নয়, গরম ভাতের সঙ্গে চেখে দেখুন সজনে-পোস্ত! রইল রেসিপি

18th February 2024 1:20 pm Country News
সজনে ফুলের বড়া নয়, গরম ভাতের সঙ্গে চেখে দেখুন সজনে-পোস্ত! রইল রেসিপি


শীত পেরিয়ে বসন্ত আসে। মরা গাছে নতুন ফুল, পাতার সঙ্গে বসন্ত বয়ে নিয়ে আসে নানা রকম রোগও। তাই এই সময়ে সজনে ফুল খাওয়ার চল রয়েছে। সজনে ডাঁটার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে তুলতে এই ফুলের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। সজনে ফুলের বড়া তো প্রায়শই খান। সিম, বেগুন দিয়ে চচ্চড়িও খান। তাই স্বাদবদল করতে গরম ভাতে চেখে দেখতে পারেন সজনে-পোস্ত। ভাবছেন কী ভাবে বানাবেন? রইল রেসিপি।

উপকরণ:

 

সজনে ফুল: ২ কাপ

পোস্ত বাটা: ৪-৫ টেবিল চামচ

 

গুঁড়ো হলুদ: সামান্য

 

কালো জিরে: আধ চা চামচ

 

কাঁচা লঙ্কা: ২টি

 

টোম্যাটো কুচি: আধ কাপ

 

সর্ষের তেল: ৪ টেবিল চামচ

 

নুন: স্বাদ অনুযায়ী

প্রণালী:

 

১) প্রথমে সজনে ফুল বেছে ভাল করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে রাখুন।

 

২) এ বার কড়াইতে সামান্য সর্ষের তেল দিয়ে ফুলগুলি নাড়াচাড়া করে তুলে রাখুন। আলু দিতে চাইলে ছোট করে কেটে রাখা আলু একই ভাবে ভেজে তুলে রাখতে হবে।

 

৩) আরও একটু তেল দিন। তার মধ্যে ফোড়ন হিসাবে দিয়ে দিন কালো জিরে।

 

৪) তার পর টোম্যাটো কুচি, গুঁড়ো মশলা, নুন, পোস্ত বাটা দিয়ে ভাল করে কষিয়ে নিন। তেল ছেড়ে এলে ভেজে রাখা সজনে ফুলগুলি দিয়ে দিন।

 

৫) নাড়াচাড়া করে সামান্য জল দিয়ে ঢাকা দিয়ে রাখুন মিনিট পাঁচেক। আঁচ একেবারে কমিয়ে রাখবেন। মাখো মাখো হয়ে এলে নামিয়ে গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।